কোম্পানিটির শেয়ারদর ও লেনদেন বাড়ার কারণ জানতে চেয়ে চিঠি দিয়েছিল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। তবে এখন পর্যন্ত ডিএসইর চিঠির জবাব দেয়নি কোম্পানিটি। গতকাল ডিএসইর পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, গত ১ মার্চ ডিএসইতে একমি পেস্টিসাইডসের শেয়ারদর ছিল ১৬ টাকা। এর পর থেকেই শেয়ারটির দর ঊর্ধ্বমুখী। সর্বশেষ গতকাল শেয়ারটির দর ২৬ টাকা ৬০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে। এ সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারদর বেড়েছে ৬৬ শতাংশ।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) একমি পেস্টিসাইডসের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ২৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৩০ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৬ টাকা ১৫ পয়সায়।
সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৪-২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের দশমিক ১ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ।
আলোচ্য হিসাব বছরে একমি পেস্টিসাইডসের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১ টাকা ১৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৭৬ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৬ টাকা ৪১ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২৩-২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের দশমিক ২৫ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে একমি পেস্টিসাইডসের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৭৬ পয়সা। আগের হিসাব বছরে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ৯৬ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৭ টাকা ৫৮ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের দশমিক ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে একমি পেস্টিসাইডসের ইপিএস হয়েছে ৯৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৫১ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৮ টাকা ৩৫ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২১-২২ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে একমি পেস্টিসাইডসের ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৫১ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ১২ পয়সা। ৩০ জুন ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৭ টাকা ৯৯ পয়সায়।
২০২১ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত একমি পেস্টিসাইডসের অনুমোদিত মূলধন ১৫০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১৩৫ কোটি টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৮৬ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১৩ কোটি ৫০ লাখ। এর ৩১ দশমিক ৮০ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ২৭ দশমিক শূন্য ৩ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৪১ দশমিক ১৭ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।